য
যদি গৌরচাঁদকে পাই
যদি ফানার ফিকির জানা যায়
যদি শরায় কার্যসিদ্ধি হয়
যাও হে রাই-কুঞ্জে আর এসো না
যাবো রে এ স্বরূপ কোন্ পথে
যা যা ফানার ফিকির জান্গে যা রে
যারে ধ্যানে পায় না মহামুনি
যে জন হাওয়ার ঘরে ফাঁদ পেতেছে
যে পথে এসেছ রে মন
যে আমায় পাঠালে এহি ভাব-নগরে
যেওনা আন্দাজী পথে মন রসনা
যেওনা আন্দাজী পথে মন রসনা
যেখানে সাঁইর বারাম খানা
যে জন দেখেছে অটল রূপের বিহার
যে জন পদ্মহীন সরোবরে যায়
যে জন সাধকের মূল গোড়া
যে জন হাওয়ার ঘরে ফাঁদ পেতেছে
যে জানে ফানার ফিকির সেই ফকির
যেতে সাধ হয়রে কাশী
যেদিন ডিম্বভরে ভেসেছিলেন সাঁই
যে পথে সাঁই চলে ফেরে
যে প্রেমে শ্যাম গৌর হয়েছে
যে ভাব গোপীর ভাবনা
যে যাবি আজ গৌর-প্রেমের হাটে
যে যা ভাবে সেইরূপ সে হয়
যে যারে বোঝায়, সেই বোঝে
যে রূপে সাঁই আছে মানুষে
যে সাধন-জোরে কেটে যায় কর্ম-ফাঁসি
যে পরশ পরশে, সে পরশ চিনে লে না
যেও না আন্দাজী পথে মন-রসনা
যেখানে সাঁইর বারামখানা
যেতে সাধ হয় রে কাশী কর্ম ফাঁসি
যাও হে শ্যাম রাইকুঞ্জে আর এসো না
যার ভাবে আজ মুড়েছি মাথা
যেখানে সাঁইর বারামখানা
যেতে সাধ হয়রে কাশী