মন যদি হতে চাও মানুষ
আসি বলে গেল বন্ধু আইলো না
প্রাণনাথ ছাড়িয়া যাইওনা
আগের বাহাদুরী এখন গেল কই
পিরিত করে সুখ হইল না
প্রাণনাথ বন্ধু আমার কই রইল গো
সে হইল গো নিষ্ঠুর কালিয়া
পোড়া অঙ্গ পুড়িবার বাসনা রে
আর কি আশা পুরিবে আমার
স্বাধীন দেশের মানুষ আমরা দুর্দশা কেন যায় না
তোর সনে মোর ভাব রাখা দায়, সোনা বন্ধু রে
মাথা নত করে আর বসব না ঘরে
আরে ও সর্বহারার দল
জয় জয় বলে এগিয়ে চল হাতে লয়ে সবুজ নিশান
সোনার বাংলার ঘরে ঘরে
সোনা বন্ধে মোরে করিল উদাসী
জাগ রে কৃষাণ শ্রমিক মোদের এগিয়ে চল এই বার
সুর তাল ছন্দে যখন গান গেয়ে যাই
প্রেম রোগের ঔষধ নি গো সখি
আমরা স্বাধীন দেশে থাকি
মর্ম না জানিয়া তোরা প্রেম করিও না
আর ঘুমে থেকো না চাষি ভাই
মুর্শিদ বাবাজান তোমার লাগি কান্দে মনপ্রাণ
কত দুঃখ সইব পরানে পাকিস্তানে
ও নওজোয়ান ভাই আমি সবারে জানাই
নাও যেন গাঙে ডোবে না
এবারের দুর্দশার কথা কইতে মনে লাগে ব্যথা
এসো প্রাণ খুলে মিলে সকলে
শোষক তুমি হও হুঁশিয়ার চল এবার সাবধানে
খবর রাখনি উন্দুরে লাগাইছে শয়তানি
লাউ কুমড়া লাগাইও গো, ওগো ভাবী সময় আইছে
গরিবের কী মান-অপমান দুনিয়ায়
আল্লায় যেন কর্জের লাগি কেউর বাড়িত নেয় না
রঙিন টাকা, ও রঙিলা টাকা রে
আমি ঠেকলাম ভরের বুঝা লইয়া
দিরাই থানায় বসত করি হাওর এলাকায়
ওরে চাষি ভাই, শক্ত হাতে লাঙ্গল ধরা চাই
ও ভাই জোর জুলুমি ছাড়ো
দারুণ দুর্ভিক্ষের আগুন লাগলো কলিজায় রে
জিজ্ঞাস করি তোমার কাছে বলো ওগো সই
ওরে মেলা দিতে জ্বালা কার মন্ত্রণা পাইলে
বলো ভোট দিব আজ কারে
মোদের কেউ নাই রে কৃষক মজুর ভাই
পল্লীগ্রামের কবি আমি পল্লীর গান গাই
বাংলা স্বাধীন হইল রে বীর বাঙালি ভাই
আমি বাংলা মায়ের ছেলে
খালি বাড়ি থইয়া নাইওর যাইতে দিব না
ও বুবাইজি আমার দুঃখ কার ঠাঁই গো কইতাম
ভালা মানুষ পাগল হইলাম
শ্যামলও সুন্দরও রূপ আমি যেদিন হইতে হেরি গো
যে দুঃখ অন্তরে গো সখি কওনও না যায়
সখি গো বন্ধু রে দেখিবার মনে চায়
সরল তুমি শান্ত তুমি নূরের পুতুলা
মন কান্দে প্রাণ কান্দে গো, কান্দে আমার হিয়া
শ্যামলও সুন্দরও রূপ আমি যেদিন হইতে হেরি গো
যে দুঃখ অন্তরে গো সখি কওনও না যায়
সখি গো বন্ধু রে দেখিবার মনে চায়
সরল তুমি শান্ত তুমি নূরের পুতুলা
মন কান্দে প্রাণ কান্দে গো, কান্দে আমার হিয়া
পিরিতি মধুর মিলনে স্বর্গ শান্তি আসে
পিরিতি কি সকলে জানে
কলসি লইয়া কে গো জল ভরিতে যাও
আইলায় না আইলায় না রে বন্ধু করলায় রে দেওয়ানা
বাঁচি না বাঁচি না রে বন্ধু পরানে বাঁচি না
পিরিতি করিয়া রে গিয়াছ ছাড়িয়া রে
প্রেম শিখাইয়া সোনা বন্ধে ঠেকাইল পিরিতের ফান্দে
কার কাছে যাব কারে জানাব অন্তরের বেদনা
প্রাণ খুলিয়া প্রাণ বন্ধু রে করলাম না আদর
বন্ধু বিনে একা ঘরে ভালো লাগে না
সোনার অঙ্গ পুড়ে ছাই করিলাম গো কার লাগিয়া
প্রাণসখি রে, আমি বন্ধু বিনে প্রাণে বাঁচি না
প্রাণবন্ধের পিরিতে সই গো কী জ্বালা হইল
প্রাণ জ্বলে মোর বিচ্ছেদের অনলে গো সখি
হাত বান্ধিব পাও বান্ধিব মন বান্ধিব কেমনে
প্রেম করিয়া সুখ হইল না পোড়া কপালে
পরান কান্দে বন্ধুয়ার পানে চাইতে – লিরিক্স
আসি বলে চলে গেল আর তো ফিরে এলো না
বন্ধুয়া রে, কুলমান সঁপিলাম তোমারে – লিরিক্স
তোমরা নি দেখেছো মনচোরা গো সখি তোরা
বন্ধুয়া রে, যত দোষী তোমার লাগিয়া
তোমার পিরিতে বন্ধু রে, বন্ধু কী হবে না জানি
বন্ধু রে, কী বলব তোমারে, ছেড়ে যেও না দূরে
কত দুঃখ সহিব তোর পিরিতে
নেশাপুরে এসে আমি হয়ে গেলাম নেশাখোর
মনমাঝি ভাই বাও রে নৌকা যাইও না রে পথ ভুলে
সোনার যৌবন আমার বিফলে গেল
মনমাঝি তুই হইস নারে বেভুল
যৌবন রে, ঠেকছি তোরে লইয়া রাখব কী করিয়া
আল্লাহর নাম নবির নাম লইয়া রে
কাম নদীর তরঙ্গ দেখে করে ভয়
ও মনমাঝি রে, কিনারা ভিড়াইয়া রে বাইও নাও
পাই না তোমার ঠিক-ঠিকানা
অকূল নদীর ঢেউ দেখে ডরাই
ঝোঁক বুঝিয়া ছাড় নৌকা বেলা বয়ে যায়
গান শুনিয়া চমকে উঠে প্রাণ
আমার নাম কে তোরে শিখাইল রে ওরে বাঁশি
এমন এক রঙের দেশ আছে
ও রঙিলা নাইয়া রে রঙে বৈঠা বাইয়া রে
সাঁতার না জানিয়া জলে দিও না সাঁতার
সখি রে, মন থাকে না ঘরে বন্ধুর বাঁশির সুরে
গান গাইতে হইলে পড়ে যন্ত্রের প্রয়োজন
কেন মন মজিলে রে মিছা মায়ায়
আমরা ধন্য গাইয়া যাই
মন রে পাগল ও মনা তুমি কার ভরসা করো
নাও বানাইল নাও বানাইল রে
মেয়েরূপী ফুল ফুটেছে বিশ্ব-বাগানে
মহাজনে বানাইয়াছে ময়ূরপঙ্খি নাও
শুনবে কি বুঝবে কি ওরে মন ধুন্ধা
হাওয়ায় দৌড়ে রে আমার ময়ূরপঙ্খি নাও
এ সংসারে জুয়া খেলা হারজিতের কারবার
নৌকা বাইও সাবধান হইয়া রে মাঝি ভাই
পাপীর আশা পুরাইবায় নি তুমি – লিরিক্স
ভাবছ কি মন পির বিনে নবিরে পাওয়া যায়
আল্লাহু আল্লাহু আল্লাহু, হক নাম তোমারি
মানুষ যদি হইতে চাও কর মানুষের ভজনা
মনের মানুষ অতি ধারে – লিরিক্স
মানুষ হলে মানুষ মিলে নইলে মানুষ মিলে না
মানুষে মানুষ বিরাজে খোঁজে যে জন সে-ই পায়
পাপীর আশা পুরাইবায় নি তুমি
ভাবছ কি মন পির বিনে নবিরে পাওয়া যায়
আল্লাহু আল্লাহু আল্লাহু, হক নাম তোমারি
গুরুর বাক্য লও রে মন বিষয়টা মধুর
তুমি আমার প্রাণসখা – লিরিক্স
আশেকের রাস্তা সোজা আশেক থাকে মাশুকধ্যানে
আজব রঙের ফুল ফুটেছে মানবগাছে – লিরিক্স
জ্ঞান হইল নুরের আলো অজ্ঞানতা অন্ধকার
মন তুই দেখ না খুঁজে দেহের মাঝে – লিরিক্স
রমজানের চান যে জন দেখেছে
ও মন খুঁজলে না রে মন দেখলে না রে
কলেমা নামাজ রোজা হজ্ব যাকাতে ইমানদার
রঙিলা বাড়ই রে, তুমি নানান রঙের খেলা খেলো
আগে তোর মন ভালো কর
ভবে চিনলে না কেন তারে
ভেদ বুঝিয়া পড়ে নামাজ মমিনে
সাধন করো রে অভ্যাসে
আমি তোমার কলের গাড়ি তুমি হও ড্রাইভার
খাজা তোমার প্রেমবাজারে আমি কাঙাল যেতে চাই
পয়লা ফাল্গুনে আইলো ধলের মেলা
শাহজালাল বাবার দোয়াতে
মাঘ ফাল্গুন চৈত্র মাসে ভাটি এলাকায়
মুর্শিদ বিনে এ ভুবনে কেউ নাই আপনা
ওরে মেলা দিতে জ্বালা কার মন্ত্রণা পাইলে
দয়াল মুর্শিদ, তুমি বিনে কে আছে আমার
মুর্শিদ মৌলা বক্স মুন্সি, দয়ার ঠাকুর
মুর্শিদ ও, জীবনও ভরিয়া তোমার লাগিয়া
সয়ালের দয়াল বন্ধু রে তুমি যে সরল
মুর্শিদ আমারে কর পার তুমি বৈ আর কারে ডাকি
রাখ কি মার এই দয়া কর
তুমি বিনে মনের বেদন কারে কই
খুঁজিয়া পাইলাম না রে বন্ধু তুমি কোথায় থাক
নাম সম্বলে ছাড়লাম তরী অকূল সাগরে
নবি এসে দয়া করে দাও পাপীরে পদছায়া
ওগো পাতকীর কাণ্ডারি দুরুদ সালাম ভেজি
দীনবন্ধু রে, ওরে বন্ধু দয়াল নামটি ধরো
কে যাও রে সোনার মদিনায়
বন্ধু রে, কাঙালে কি পাইবে তোমারে
নবি এসে ঘুচালেন আঁধার
সোনা বন্ধুয়া ও, অপরাধী হলেই আমি যাব কার ধারে
নাম নিলে হয় মন পবিত্র অন্তিমে কল্যাণ
বন্ধুয়া রে, তুমি আমারে দিও না ফাঁকি
ফুল ফুটিল বুগদাদে বুগদাদে ফুলের গন্ধ নিব বলে
নূতন বৈশাখ মাসে শুভ দিন আসবে বলে
তিনশো ষাইট আউলিয়ার দেশ
মাগো আমি কিসে দোষী
জিজ্ঞাস করি তোমার কাছে বলো ওগো সাঁই
দয়াময় নামটি তোমার গিয়াছে জানা
আজ প্রথম মে দিবসে
দেশ এবং মানুষের যদি চাও উন্নতি
সুদিন আসবে সুদিন আসবে রে কাজ করিলে
ওরে চাষি ভাই শক্ত হাতে লাঙ্গল ধরা চাই
সুসময়ে ছাড়ো নৌকা বেলা বয়ে যায়
নাও বাইয়া যায় রে পাইক সারি সারি
নাইয়া রে, বাংলার নাও সাজাইয়া যাবো আমরা বাইয়া
বেহেস্ত ধনীর জন্য রয় গরিবের নাই অধিকার
বৃক্ষ নিয়ে ভাবছি এবার বাউল সবাই
ঈদ এসেছে দুঃখ দিতে গরিবের মনে
মনের বেদনা তুমি তো জান রে বন্ধু ওরে বন্ধু
ঈদ আসলে কি দুঃখ দিতে
জ্ঞানী গুনী সবাই বলেন মুক্তি আসে মানবতায়
ওরে মেলা দিতে জ্বালা কার মন্ত্রণা পাইলে
আমার দেশে কেন আমি কাঙাল হলেম রে
নূতন বৈশাখ মাসে শুভ দিন আসবে বলে
তিনশো ষাইট আউলিয়ার দেশ
আমরা সবাই মিলে বাঁচতে চাই
এই সব নিয়ে দ্বন্দ্ব কেন কেউ হিন্দু কেউ মুসলমান
হারা জিনিস ফিরে পাবে একযোগে সব চল রে চল
ধর্মাধর্ম নাই রে শোষকের নাই বিবেচনা
স্বাধীন দেশে মানুষের অধিকার চাই
অনেকে বলে আমারে গাও না একটা তেল-চোরার গান
বড় ভাবী গো, আমারে ঠেকাইছন আলায়
খবর রাখনি উন্দুরে লাগাইছে শয়তানি
ভয় করো না এক হয়ে যাও মজুর চাষির দল
উন্দুর মারো রে দেশের জনগণ
মনে মনে ভাবিতেছি এখন আমি কোথায় যাই
অতীত বর্তমানে কি আর মিল আছে
কেবা শত্রু কেবা মিত্র বুঝে উঠা দায়
রক্ত দিয়ে স্বাধীন হলেম দুর্দশা কেন যায় না
শান্ত মনে ভোট দাও এবার
কোন দেশে যাই বল
শক্তিসম্পদ আছে যাদের দেশের মালিক তারাই হয়
এবার ভোট কারে দিবে
অভাবে পড়িয়া কাঁদে মনপাখি আমার
এ দেশে স্বার্থপরদের চলেছে রঙের খেলা
শেখ মুজিব বঙ্গবন্ধু সবাই কয়
ওই ভাই জোর জুলুমি ছাড়ো
জনসমুদ্রে নতুন জোয়ার এল রে
বর্তমান সমাজের ভাব দেখে ভয় পাই
স্বাধীন দেশে মানুষের স্বাধীনতা নাই
গরিবের স্বাধীনতা আসবে কখন
স্বাধীন দেশে থাকি আমরা স্বাধীন দেশে থাকি
মোদের কী হবে রে কৃষক মজুর ভাই
তেরোশো একাশি সনে কাল হইল রে বৃষ্টির জল
দিন গেলে গোলমালে, মোদের দিন গেল গোলমালে
গরিব বাঁচবে কেমন করে চিন্তা করে বুঝতে নারি
চৈত্র মাসে বৃষ্টির জলে নিল বোরো ধান
শোষক তুমি হও হুশিয়ার চল এবার সাবধানে
গানের ভিতর প্রাণের কথা বলতে মনে চায়
এবার পানি আইল রে নিদারুণ দুঃখ লইয়া
শোষকের মন্ত্রণা বিষম যন্ত্রণাল
ওরে মজুর চাষা করো কার আশা
মরণ ফাঁদে পড়ে কাঁদে হাওর এলাকার লোকে
ভোট দিবায় আজ কারে
হাওর এলাকাবাসী ভাইবোনেরা
গরিবের কি মান-অপমান দুনিয়ায়
দেশে আইল ভেজাইল্যা বন্যা
গরিবের দুঃখের কথা কেউ শোনে না
কৃষক মজুর পড়েছে ঘোর আঁধারে
কৃষক মজুর ভাই সবারে জানাই
প্রাণে বাঁচা দায়
ফেব্রুয়ারির একুশ তারিখে সালাম বরকতের বুকে
সালাম আমার শহীদ স্মরণে
বলো স্বাধীন বাংলা মোদের মাতৃভূমির জয়
কত মায়ে কান্দে পুত্রহারা হইয়া রে
এসো প্রাণ খুলে মিলে সকলের
কৃষক মজুর পড়েছে ঘোর আঁধারে
কৃষক মজুর ভাই সবারে জানাই
প্রাণে বাঁচা দায়
ফেব্রুয়ারির একুশ তারিখে সালাম বরকতের বুকে
বিলাতের স্মৃতি
আমি বাংলা মায়ের ছেলে
কত কথা মনে পড়ে
ফুরু থাকতে যে খেইল খেলাইতাম
ভাটির চিঠি
কষ্ট করে আছি এখন বাইচ্চা সাধের জীবন বিফল গেল
কারে কী বলিব আমি ঠেকছি নিজের আক্কলে
আমরা দুইজন সুখী মোদের এক ছেলে এক মাইয়া
স্বাধীন বাংলার ইতিহাস দুঃখ বলব কারে
ছেলেমেয়ে আছ যারা শিক্ষা-দীক্ষার প্রয়োজন
ওসমানীর স্মৃতিচিহ্ন ওই ওসমানী উদ্যান
আমি জ্বালায় জ্বলিয়া মরি রে বন্ধুয়া
রোজার পরে আইল খুশির ঈদের দিন
কার কাছে দাঁড়াব আমি বলো না
ঈদের দিন আসিল রে রমজানের রোজার পরে
বন্ধুয়া রে, কোন প্রাণে ছাড়িতে চাও বলো
শোনেন জনগণ আসিল ইউনিয়ন নির্বাচন
পিরিতের ফল রে বন্ধু বুঝিলাম এখন
মশারি নাই সুযোগ পাইল নিদারুণ মশায়
তুমি বোঝো না রে বন্ধু বোঝে না ব্যথিতের বেদনা
কেন করিব জন্ম নিয়ন্ত্রণ কর্তার ইচ্ছা কর্ম চলে
প্রাণবন্ধু কালা সহিতে না পারি তোমার
দিবানিশি শুনি গো জন্ম নিয়ন্ত্রণের গান
পিরিতি করিয়া সোনা বন্ধু রে মিছা দোষী আমি সংসারে
শোনেন বন্ধুগণ করা ভালো জন্মনিয়ন্ত্রণ
আমারে বন্ধু তুমি মনে রাখিও
সোনার মানুষ বলি তারে ভবিষ্যৎ চিন্তা করে
আমি নি তোমার রে তুমি নি আমার রে
বড় ভাবী গো ভাইসাবরে বুঝাইয়া কইও চাই
তোমার প্রেমে মন হলো উদাসী গো রাই রূপসী
ওগো পিয়ারি মন কেন মোর করিলে চুরি
সরল তুমি নাম যে তোমার সরলা
ও নদী রে, তোর খেলা দেখিব কত আর
এবার ফসল ভালো দেখা যায়-বা চাচাজি
বন্ধুয়া রে, কী দোষে ছাড়িতে চাও মোরে
কও সজনী গুণমণি কার কুঞ্জে রইল
বন্ধু দরদিয়া রে আমি তোমায় চাই রে বন্ধু
ও সখিগণ বল এখন করি কী উপায়
প্রাণবন্ধু আসিতে গো সখি আর কতদিন বাকি
শোনো গো সজনী ভাবি দিন-রজনী
আর কতদিন গাইব গো সখি প্রাণবন্ধুর গান
প্রাণসখি গো মনে চায় বন্ধুরে দেখিতে
বন্ধু তো আইল না গো সখি দুঃখ বলবো কারে
বলো সখি প্রাণপাখি কার কুঞ্জে রইল
জীবন-অন্ত কালে গো সখি আসিল না কালা
কী করি অবলা সয় না প্রেমজ্বালা
কও রে পথিক ভাই তুমি নি দেখেছ আমার
কেমনে ভুলিল বন্ধে আমারে
কালো রূপ দেখিতে চমৎকার কী দিব রূপের তুলনা
এইভাবে আর বেঁচে থাকব কতদিন
কালার প্রেমের কেন পাগল হইলাম
রঙের দুনিয়া তোরে চাই না দিবানিশি ভাবি যারে
দারুণ পিরিতি বিষম ডাকাতি কালার পিরিতি যে বা করে রে
রাই তোমারে বুঝাব কত থাকবে যদি সুখে ভুলে যাও শ্যামকে
কী জাদু করিয়া বন্ধে মায়া লাগাইছে
ভ্রমরা রে, গুন গুন স্বরে গান গাও
বন্ধু দরদিয়া রে আমি তোমায় চাই রে বন্ধু
ও সখিগণ বল এখন করি কী উপায়
প্রাণবন্ধু আসিতে গো সখি আর কতদিন বাকি
শোনো গো সজনী ভাবি দিন-রজনী
আর কতদিন গাইব গো সখি প্রাণবন্ধুর গান
প্রাণসখি গো মনে চায় বন্ধুরে দেখিতে
বন্ধু তো আইল না গো সখি দুঃখ বলবো কারে
বলো সখি প্রাণপাখি কার কুঞ্জে রইল
ভবের জনম বিফল গেল মিটলো না প্রেমপিপাসা
মাটির পিঞ্জিরায় সোনার ময়না রে
দুঃখ কার কাছে জানাই বিচ্ছেদের আগুনে অঙ্গ
আমি সাধ করে পরেছি গলে শ্যামকলঙ্কের মালা
বড় সাধ করে গো সখি পিরিত করেছি
সাহস বিনা হয় না কখনো প্রেম-পিরিতি
আমার মনের দুঃখ যত গো সখি প্রাণবন্ধে জানে
ঘৃণা লজ্জা ভয় থাকিতে প্রেম হবে না
পিরিতি করিয়া বন্ধে ছাড়িয়া গেল
কেউ বলে দুনিয়া দোজখ কেউ বলে রঙের বাজার
প্রাণবন্ধু বিনে গো সখি দুঃখ এল মনে
এলিম শিখলে আলেম হয় না আমল না হলে
বলো সখি প্রাণপাখি কোন দেশে রইল
মানবতত্ত্বের কী মাহাত্ম্য বোঝে কয়জনে
পিরিত করা প্রাণে মরা গো সখি আগে আমি জানি না
আমি আছি আমার মাঝে আমি করি আমার খবর
পিরিতে শান্তি মিলে না
আমি তুমি, তুমি আমি অন্তর্যামী অন্তরেতে
বন্ধুহারা জিতে মরা মনপ্রাণ উতলা
আমি বলি আমার আমার আমার কেহ নয়
বাঁচিব কেমনে গো সখি প্রাণবন্ধুরে ছাড়া
ধনে হীন মানে হীন আমি আপনজনে বাসে ভিন
ওগো প্রাণ-সই বন্ধু বিনে মনের বেদনা কারে কই
আমি তো জানি না আমার এখন কী হবে
আগে বাইদ্যার সঙ্গ না করে কালসাপিনী ধরতে গেলাম
আজ আছি কাল থাকব কি না ভাবি সব সময়
আল্লাহর নাম লইলাম না রে
কাঙালের বন্ধু রে কাঙাল জেনে দয়া কর মোরে
ডাকছে কাঙাল ওগো দয়াল
ইয়ামন হতে আইলায় দয়াল শাহজালাল আউলিয়া
কও গো দয়াল এখন আমার কী গতি
শাহজালাল ইয়ামনি ওলির দরবারে
অকূলে পড়িয়া ডাকি ওগো দয়াময়
ওগো শাহপরান আউলিয়া এই দেশে আসিলায়
প্রাণনাথ হে মনপ্রাণ তোমারে দিলাম না
ওগো আল্লার ওলি শাহপরান
আল্লার বাড়ি মক্কাশরিফ বোঝে না মন পাগলে
খাজা তোমার নামের ধ্বনি
আসল কাজে ফাঁকি দিয়া রে মন তুই আর চলিবে কতদিন
আউলিয়া-সরদার করে ভেজিলেন পরোয়ারে
মন পাগলা তুই লোকসমাজে লুকি দিয়ে থাক
প্রাণের প্রাণ মুর্শিদ আমার মৌলা বক্স নাম যাহার
ভবসাগরের নাইয়া মিছা গৌরব করো রে
মরি হায় হায় রে গুণগান গাই
ও মনমাঝি রে অকূল সাগরে তোমার নাও
আউলিয়া ইব্রাহিম মস্তান মোকাম শ্রীপুর
মন মুসল্লি ভাই শরিয়তে আছ তুমি
হাসন রাজা ছিলেন একজন মরমি কবি
হিংসাখোরগণ বলে এখন আবদুল করিম নেশাখোর
মুর্শিদের কাছে আমি কেন যাই
এয়ার কন্ডিশন মেশিন আছে মায়ের কাছে
মুর্শিদের প্রেমবাজারে কে যাবে রে আয়
খাজা তোমার নামের ধ্বনি
ওহে সর্বশক্তি, দাও আমারে মুক্তি
আল্লাহ গাফুরুর রাহিম নামে ডাকি তোমারে
দয়াল তুমি রাহমান রাহিম
বিশ্বপতি খোদা তোমার মহিমা অপার
দয়াল নাম শুনিয়া আশায় আছি চাইয়া
দয়া করো দয়াল তোমার দয়ার বলে
জন্মিয়া শুনেছি ভবে তুমি আছ
এ জগতে ডাকে তোমায়
তোমার খেলা বুঝে উঠা ভার
ডাকলে দয়া করো বলে
দয়াল বলে ডাকে তোমায় কাঙালে
আমি কী করিব রে প্রাণনাথ তুমি বিনে
নবির ভেদ কে জানতে পারে
সর্বধনে ধনী তুমি আমি যে কাঙাল
বিসমিল্লাহ আলহামদুলিল্লাহ প্রশংসা আল্লার
এসো ব্যথার ব্যথিত ওগো তুমি আমার সাঁই
মানুষ হয়ে তালাশ করলে মানুষ পায়
আসি বলে গেল বন্ধু আইল না
তোমার ইচ্ছায় চলে গাড়ি দোষ কেন পরে আমার
আমি এই মিনতি করি রে সোনা বন্ধু ভুইলো না আমারে
আমার বন্ধুরে কই পাব গো সখী আমারে বলো না
মনের দুঃখ কার কাছে জানাই
মন মজালে ওরে বাউলা গান
পিরীতি করিয়া বন্ধে ছাড়িয়া গেল
কেউ বলে শাহ আবদুল করিম কেউ বলে পাগল
কোন মেস্তরি নাও বানাইল কেমন দেখা যায়
প্রাণে সহে না দারুণ জ্বালা
যে গুণে বন্ধুরে পাবো, সে গুণ আমার নাই গো
দমে দমে পড় জিকির লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহ
আমি গান গাইতে পারি না
আর জ্বালা সয় না গো সরলা
ভাবিলে কী হবে গো যা হইবার তা হইয়া গেছে
আর কিছু চায় না মনে গান ছাড়া
শুধু কালির লেখায় আলীম হয় না